🏥 মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ
ডাঃ মোফাজ্জল হোসেন বিদুৎ
মানসিক ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এম.সি.পি.এস (মনোরোগ), এফ.সি.পি.এস (সাইকিয়াট্রিক) এফপি, এম.ডি (সাইকিয়াট্রিক) রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
📋 বিস্তারিত তথ্য
| ডাক্তারের নাম | ডাঃ মোফাজ্জল হোসেন বিদুৎ |
|---|---|
| বিশেষজ্ঞতা | মানসিক ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ |
| উপ-বিশেষজ্ঞতা | সাইকিয়াট্রিক বিভাগ |
| শিক্ষাগত যোগ্যতা | এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এম.সি.পি.এস (মনোরোগ), এফ.সি.পি.এস (সাইকিয়াট্রিক) এফপি, এম.ডি (সাইকিয়াট্রিক) রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় |
| কর্মস্থল | মানসিক, মাদকাসক্ত ও মনোরোগ বিভাগ, শেরপুর জেলা হাসপাতাল |
| চেম্বার ঠিকানা | প্রযুক্তি হসপিটাল, শেরপুর জেলা হাসপাতাল রোড |
| রোগী দেখার সময় | প্রতি শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত |
| সিরিয়াল নম্বর | 01725-900093 |
💰 ভিজিট ফি
নতুন রোগী
৭০০
টাকা
পুরাতন রোগী
৫০০
টাকা
💊 চিকিৎসা সমূহ
- ✅ ডিপ্রেশন
- ✅ উদ্বিগ্নতা
- ✅ সিজোফ্রেনিয়া
- ✅ OCD
- ✅ PTSD
- ✅ অনিদ্রা
- ✅ মাদকাসক্তি
❓ সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)
ডাঃ মোফাজ্জল হোসেন বিদুৎ কোথায় রোগী দেখেন?
ডাঃ মোফাজ্জল হোসেন বিদুৎ প্রযুক্তি হসপিটাল, শেরপুর জেলা হাসপাতাল রোড-এ রোগী দেখেন। সময়: প্রতি শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। যোগাযোগ: 01725-900093
ডাঃ মোফাজ্জল হোসেন বিদুৎ-এর সিরিয়াল কীভাবে নেব?
01725-900093 নম্বরে কল করে সিরিয়াল নিতে পারবেন। চেম্বার: প্রযুক্তি হসপিটাল, শেরপুর জেলা হাসপাতাল রোড
ডাঃ মোফাজ্জল হোসেন বিদুৎ কোন বিভাগের বিশেষজ্ঞ?
ডাঃ মোফাজ্জল হোসেন বিদুৎ একজন মানসিক ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি সাইকিয়াট্রিক বিভাগ হিসেবে কাজ করেন।
বিষণ্নতার লক্ষণ কী কী?
দীর্ঘস্থায়ী মন খারাপ, কাজে আগ্রহ হারানো, ঘুমের সমস্যা ও ক্লান্তি বিষণ্নতার লক্ষণ হতে পারে। ডাঃ মোফাজ্জল হোসেন বিদুৎ-এর পরামর্শ নিন।
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা উদ্বেগ কি চিকিৎসাযোগ্য?
হ্যাঁ। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, অস্থিরতা বা ঘুম না হওয়া উদ্বেগজনিত সমস্যার লক্ষণ হতে পারে, যা মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে চিকিৎসাযোগ্য।
মানসিক অবসাদ (ডিপ্রেশন)-এর লক্ষণ কী কী?
দীর্ঘস্থায়ী মন খারাপ, আগ্রহ হারিয়ে ফেলা, ঘুম বা ক্ষুধার পরিবর্তন এবং ক্লান্তি ডিপ্রেশনের লক্ষণ হতে পারে। এই লক্ষণ ২ সপ্তাহের বেশি থাকলে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
উদ্বেগ (অ্যাংজাইটি) কমানোর উপায় কী?
নিয়মিত ঘুম, শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম এবং প্রয়োজনে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের কাউন্সেলিং বা চিকিৎসা উদ্বেগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।