🏥 গাইনী বিশেষজ্ঞ
ডাঃ মায়া হোড়
প্রসূতি ও গাইনী এবং বন্ধ্যাত্ব রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
এম.বি.বি.এস, বি.সি.এস (স্বাস্থ্য), এম.সি.পি.এস (অবস এন্ড গাইনী), এফ.সি.পি.এস (অবস এন্ড গাইনী), সহকারী অধ্যাপক (গাইনী এন্ড অবস)
চেম্বার
প্রযুক্তি হসপিটাল, জেলা হাসপাতাল রোড, নারায়ণপুর, শেরপুর
রোগী দেখার সময়
প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত
সিরিয়াল নম্বর
কর্মস্থল
প্রযুক্তি হসপিটাল, শেরপুর (নিয়মিত অপারেশন)
📋 বিস্তারিত তথ্য
| ডাক্তারের নাম | ডাঃ মায়া হোড় |
|---|---|
| বিশেষজ্ঞতা | প্রসূতি ও গাইনী এবং বন্ধ্যাত্ব রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন |
| উপ-বিশেষজ্ঞতা | প্রসূতি ও বন্ধ্যাত্বরোগ |
| শিক্ষাগত যোগ্যতা | এম.বি.বি.এস, বি.সি.এস (স্বাস্থ্য), এম.সি.পি.এস (অবস এন্ড গাইনী), এফ.সি.পি.এস (অবস এন্ড গাইনী), সহকারী অধ্যাপক (গাইনী এন্ড অবস) |
| কর্মস্থল | প্রযুক্তি হসপিটাল, শেরপুর (নিয়মিত অপারেশন) |
| চেম্বার ঠিকানা | প্রযুক্তি হসপিটাল, জেলা হাসপাতাল রোড, নারায়ণপুর, শেরপুর |
| রোগী দেখার সময় | প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত |
| সিরিয়াল নম্বর | 01725-900093 |
💰 ভিজিট ফি
নতুন রোগী
৭০০
টাকা
পুরাতন রোগী
৫০০
টাকা
💊 চিকিৎসা সমূহ
- ✅ নরমাল ডেলিভারি
- ✅ সিজারিয়ান অপারেশন
- ✅ বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসা
- ✅ পিসিওএস / PCOS
- ✅ জরায়ু টিউমার / ফাইব্রয়েড
- ✅ মাসিকের সমস্যা
- ✅ গর্ভকালীন জটিলতা
- ✅ ল্যাপারোস্কপি
❓ সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)
ডাঃ মায়া হোড় কোথায় রোগী দেখেন?
ডাঃ মায়া হোড় প্রযুক্তি হসপিটাল, জেলা হাসপাতাল রোড, নারায়ণপুর, শেরপুর-এ রোগী দেখেন। সময়: প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। যোগাযোগ: 01725-900093
ডাঃ মায়া হোড়-এর সিরিয়াল কীভাবে নেব?
01725-900093 নম্বরে কল করে সিরিয়াল নিতে পারবেন। চেম্বার: প্রযুক্তি হসপিটাল, জেলা হাসপাতাল রোড, নারায়ণপুর, শেরপুর
ডাঃ মায়া হোড় কোন বিভাগের বিশেষজ্ঞ?
ডাঃ মায়া হোড় একজন প্রসূতি ও গাইনী এবং বন্ধ্যাত্ব রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন এবং সহকারী অধ্যাপক (গাইনী এন্ড অবস)। তিনি প্রযুক্তি হসপিটাল, শেরপুরে নিয়মিত অপারেশন করেন ও চেম্বার করেন।
মাসিক অনিয়মিত হলে কখন ডাক্তার দেখাব?
টানা ৩ মাসের বেশি মাসিক অনিয়মিত হলে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে বা তীব্র ব্যথা থাকলে ডাঃ মায়া হোড়ের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
গর্ভাবস্থায় কতদিন পরপর চেকআপ করানো উচিত?
সাধারণত প্রথম ৬ মাস মাসে একবার, পরে প্রতি ২ সপ্তাহে এবং শেষ মাসে সাপ্তাহিক চেকআপ করানো ভালো। সঠিক সময়সূচির জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিন।